সরাসরি মূল অংশে যান
মাইগ্রেন্টভাই

যাচাই ও ভরসা

সর্বশেষ হালনাগাদ: ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬

এই বাসা আর চাকরিগুলো কোথা থেকে আসে

মাইগ্রেন্টভাইয়ের প্রায় কোনো বিজ্ঞাপনই মাইগ্রেন্টভাইয়ের লেখা নয়। অন্য পাবলিক বিজ্ঞাপন সাইট — যেমন OpenSooq, Expat.com আর GulfTalent — থেকে বিজ্ঞাপন সংগ্রহ করে সেগুলো এখানে বাংলায়, সস্তা ফোনে খোলে এমন পাতায় দেখানো হয়।

এভাবে সংগ্রহ করা প্রতিটি বাসার পাতায় লেখা থাকে বিজ্ঞাপনটি কোন সাইট থেকে এসেছে, আর একটি বোতাম থাকে যেটা চাপলে মূল বিজ্ঞাপন খোলে। বিজ্ঞাপনদাতার নিজের কথা, বা আমরা যেসব ছবি আনিনি, সেসব ওই বোতামেই পাবেন। মাইগ্রেন্টভাইতে সরাসরি দেওয়া বাসার কোথাও মূল বিজ্ঞাপন নেই, তাই সেখানে ওই বোতামও থাকে না।

মাইগ্রেন্টভাই বাড়িওয়ালা নয়, নিয়োগদাতা নয়, দালালও নয়। এই বিজ্ঞাপনগুলো আমাদের লেখা নয়, আর এতে যা লেখা তার দায় আমরা নিই না।

বাড়িওয়ালার নম্বর পাবলিক পাতায় কখনো ছাপা হয় না। সাইন-ইন করা কর্মী চাইলে তবেই নম্বরটি দেওয়া হয়, আর প্রতিবার কে নিয়েছে তা লেখা থাকে — এতেই একবারে পুরো তালিকার নম্বর তুলে নেওয়া আটকায়।

আমরা যা যাচাই করি না

আমরা বিল্ডিং পরিদর্শন করি না। মালিকানার কাগজপত্র যাচাই করি না। আজ এই মুহূর্তে বেডটা খালি আছে কিনা তার নিশ্চয়তা দিই না। চাকরির ক্ষেত্রে নিয়োগ চুক্তি বা কোম্পানির লাইসেন্স যাচাই করি না।

তাই টাকা দেওয়ার আগে নিজে গিয়ে দেখে নিন। বাসা না দেখে অগ্রিম টাকা পাঠাবেন না — বিকাশ, নগদ বা ব্যাংকে আগেই টাকা চাওয়া প্রতারণার সবচেয়ে সাধারণ কৌশল।

সবুজ চিহ্ন উঠলে তার মানে কী হবে

কোনো বাসায় সবুজ চিহ্ন উঠলে তার মানে হবে একটাই: মাইগ্রেন্টভাইয়ের একজন মানুষ বিজ্ঞাপনে দেওয়া নম্বরে ফোন করে নিশ্চিত করেছেন রুমটা আছে, ভাড়া কত, আর কয়টা বেড খালি — চিহ্নের পাশে যে তারিখ লেখা, সেই দিনের হিসাবে। এটা পরিদর্শন নয়, লাইসেন্স নয়, আর আপনি পৌঁছানো পর্যন্ত বেড খালি থাকার নিশ্চয়তাও নয়।

এই সাইটের কোনো বাসা বা কোনো চাকরিতে আজ সেই চিহ্ন নেই। যতগুলো বাসা আর চাকরি এখানে প্রকাশিত আছে, তার একটিও আমাদের কেউ ফোন করে যাচাই করেননি। চিহ্ন না থাকা মানে ওই সারিটি কেউ যাচাই করেনি — আর আজ প্রতিটি সারিই তাই।

অন্য সাইট থেকে আনা কোনো সারিতে এই চিহ্ন কখনো উঠবে না। ডেটাবেজই তা আটকায় — যে বাসা বা চাকরির উৎস অন্য সাইট, সেটিকে ‘যাচাই করা’ হিসেবে চিহ্নিত করা যায় না। তাই কোনো ক্রল বা কোনো ভুলের কারণেও অন্যের বিজ্ঞাপনে আমাদের চিহ্ন বসতে পারে না।

কোনটা প্রকাশের আগে পড়া হয়, কোনটা হয় না

মাইগ্রেন্টভাইতে কেউ নিজে যা লেখেন — রিভিউ, অভিজ্ঞতা, প্রশ্ন, বা সাইটের মাধ্যমে দেওয়া বাসা বা চাকরির পোস্ট — তা একটি সারিতে অপেক্ষা করে; আমাদের একজন পড়ে অনুমোদন না করা পর্যন্ত আর কেউ সেটা দেখতে পান না।

ক্রলারের আনা বিজ্ঞাপন অপেক্ষা করে না; সেগুলো নিজে থেকেই প্রকাশ পায়। আজ তালিকার সব বাসা আর সব চাকরি এভাবেই এসেছে, তাই ‘প্রকাশের আগে একজন মানুষ পড়েছেন’ কথাটা আপনি যা দেখছেন তার কোনোটার বেলাতেই সত্যি নয়।

চাকরির ব্যাপারে

কিছু বিজ্ঞাপনে বেতন লেখা থাকে না — সেগুলোয় "বেতন বলা নেই" লেখা থাকে, আমরা কোনো অঙ্ক বসাই না। নিয়োগ ফি-র ঘরেও একই নিয়ম। বিজ্ঞাপনে যা নেই, আমরা তা বানিয়ে লিখি না।

মাইগ্রেন্টভাই বা এর কোনো সদস্য চাকরির জন্য কোনো প্রবাসী কর্মীর কাছ থেকে টাকা নেয় না। কেউ আমাদের নাম করে টাকা চাইলে দেবেন না — রিপোর্ট করুন।

রিভিউ আর অভিজ্ঞতা

প্রকাশের আগে প্রতিটি রিভিউ আর অভিজ্ঞতা একজন মানুষ পড়েন। আমরা লেখা সম্পাদনা করি না। নিয়মভঙ্গ হলে সরিয়ে দিই, আর সেই সিদ্ধান্তের কারণ রেকর্ড থাকে।

অভিজ্ঞতা মানে একজন কর্মীর নিজের কথা — যাচাই করা তথ্য নয়। দুটোকে এক করে দেখবেন না।

উত্তরগুলো

উত্তর তৈরি হয় এই সাইটে প্রকাশিত গাইড থেকে। কোনো উত্তরের সূত্র আমাদের কাছে থাকলে পাতায় সেই সূত্রের নাম লেখা থাকে; না থাকলে পাতায় সেটাই লেখা থাকে — সূত্র আছে এমন ভান করা হয় না।

সহকারী নিজে থেকে কোনো উত্তর বানায় না। ওই গাইডগুলোর একটা নিয়ে আপনার প্রশ্নের ভাষায় সাজিয়ে দেয়; এই ধাপ কাজ না করলে গাইডের নিজের লেখাটাই হুবহু পাবেন। মানানসই কোনো গাইড না পেলে সেটা বলে দেয় আর কোথায় যেতে হবে দেখায় — ফাঁকটা অনুমান দিয়ে ভরাট করে না।

কিছু প্রশ্নের উত্তর গাইড থেকে দেওয়াই হয় না। আইন, পাসপোর্ট, বকেয়া বেতন, পুলিশ বা সহিংসতা নিয়ে প্রশ্ন এলে আপনি যে দেশে আছেন সেই দেশের দূতাবাস, কনস্যুলেট আর জরুরি নম্বর দেখানো হয় — আর এই সিদ্ধান্ত হয় কিছু খোঁজার আগেই। যে হরফ আমরা পড়তেই পারি না, সেই হরফে লেখা প্রশ্নকেও এই দলেই ফেলা হয় — অনুমান করে উত্তর দেওয়ার চেয়ে সেটাই নিরাপদ।

মাইকে বললে কথাটা লেখায় এসে বাক্সে বসে — পাঠানোর আগে দেখে নিতে ও ঠিক করে নিতে পারবেন, নিজে না পাঠালে কিছু যায় না।

কিছু ভুল দেখলে

প্রতিটি বাসা, চাকরি, রিভিউ আর অভিজ্ঞতার পাতায় ‘রিপোর্ট’ বোতাম আছে। রিপোর্ট করতে সাইন-ইন লাগে। রিপোর্ট সরাসরি মডারেশন সারিতে যায়, একজন মানুষ সিদ্ধান্ত নেন, আর কে কী সিদ্ধান্ত নিল তা কারণসহ রেকর্ড থাকে।

অ্যাকাউন্ট না থাকলেও সরাসরি লিখতে পারেন: support@migrantbhai.com

কে চালায়

মাইগ্রেন্টভাই চালায় নিজেদের ছোট একটি টিম, একটি অ্যাডমিন কনসোল থেকে। মডারেশনের প্রতিটি সিদ্ধান্তের সাথে কে এবং কখন তা রেকর্ড থাকে।

আমরা কোনো লাইসেন্সিং সংস্থা নই, আর তৃতীয় কোনো পক্ষ এসব নিরীক্ষা করে না। যা দাবি করি ঠিক ততটুকুই — এর বেশি নয়।